সুন্দরবনের মৌসুমি দ্বীপে তিনশো পরিবারের পাশে দাঁড়ালো BASE সংগঠন, খাদ্যসামগ্রী ঔষধ মশারি বিতরণ করা হয়

সুন্দরবনের মৌসুমি দ্বীপে তিনশো পরিবারের পাশে দাঁড়ালো BASE সংগঠন, খাদ্যসামগ্রী ঔষধ মশারি বিতরণ করা হয়

করোনা লকডাউনে নিম্ন মধ্যবিত্ত ও দারিদ্য সীমার নিচের বহু মানুষের খাওয়ার সমস্যা শুরু হয়েছিল। লকডাউনের দুই মাসের মাথাতে শুরু হলো শতাব্দী বিখ্যাত আমফান ঝড়। ঝরে পাঁচটি রাজ্য লন্ডভন্ড হয়ে যায়। বিশেষ করে ঝড়ে দক্ষিন চব্বিশ পরগনার অবস্থা শোচনীয় হয়। এই জেলার সুন্দরবন ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার অবস্থা ভয়াবহ করুন। ঝড়ের পরবর্তীতে সুন্দরবনে মানুষ বিভন্ন সমস্যাতে পড়েন। বেস (BASE – বেঙ্গলি একাডেমিয়া ফর সোশ্যাল এমপাওয়ারমেন্ট) সুন্দরবনের মানুষের পাশে দাঁড়ান।

বেস সংঠনের পক্ষ থেকে গতকাল সুন্দরবনের মৌসুমি দ্বীপে ত্রান বিতরণ করেন। খাদ্যসামগ্রী, ঔষধ, ট্রিপল, মশারি, এবং পোশাক দেওয়া হয়। খাদ্যসামগ্রীতে ছিল ডাল, চাল, ছোলা, বিস্কুট-টোষ্ট ইত্যাদি। ঝড়ে বহু মানুষের বাড়ির চাল উড়ে গেছে, তাদের ট্রিপল দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য পরিসেবার উন্নতির জন্য ঔষধও দেওয়া হয়। স্থানীয় ডাক্তার হাসিবুর সাহেব এবং স্বাস্থ্য-কর্মীর হাতে ঔষধ তুলে দেওয়া হয়। পানীয় জল জীবানুমুক্ত করার জন্য জিওলিন ঔষধও ছিল। মেয়েদের স্বাস্থ্য-এর দিকে লক্ষ্য রেখে স্যানিটারি প্যাড বিতরণ করা হয়। কুসুমতল, পায়রাখেরি, বলিয়াড়া তিন এলাকাতে ত্রাণ-সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বিতরণের সঙ্গে ছিলেন যাদবপুরের অধ্যাপক আব্দুল মাতিন, কলকাতা হাইকোর্টে উকিল হোসেন রিজভী সাব।

বেসের পক্ষে থেকে গতকাল দক্ষিন চব্বিশ পরগণার বিভন্ন স্থানেও ত্রান সামগ্রী দেওয়া হয়। লককডাউন ও আমফান দুই বিপর্যয়ে কয়েকটি জায়গাতে কমিউনিটি কিচেনের ব্যবস্থা করেছেন বেস সংগঠন। সেখানে দুই বেলা বসে খাওয়ানো ব্যবস্থা আছে সকলের জন্য।