কৃষ্ণাঙ্গ হত্যাতে আমেরিকা জ্বলছে, ভয়ে ট্রাম্প বাঙ্কারে ঢুকলেন! চলছে সাম্যের লড়াই

নিউজ ডেস্ক : সুপারপাওয়ার আমেরিকাতে চলছে সাম্যের অধিকারের লড়াই। কৃ্ষ্ণাঙ্গ হত্যার জেরে উত্তপ্ত আমেরিকা। শুক্রবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউসের বাইরে জড়ো হন বিক্ষোভকারীরা। তার পর হোয়াইট হাউস লক্ষ্য করে পাথর ছুড়ে তারা। পরিস্থিতি এতোটাই সঙ্গিন হয়ে উঠে তথাকথিত নির্ভীক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জনরোষের হাত থেকে বাঁচতে মাটিরে নীচে বাঙ্কারে আত্মগোপণ করেছিলেন।

প্রধানত, জঙ্গি হামলার সময় প্রেসিডেন্টএবং শীর্ষ কর্তাদের সুরক্ষার জন্য নির্মিত ওই বাঙ্কার। তবে সেখানে ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এবং তাঁদের ১৪ বছরের ছেলে ব্যারন ট্রাম্পও ছিলেন কিনা সেব্যাপারে কিছু জানা যায়নি। হোয়াইট হাউসের সিক্রেট সার্ভিস আইন অনুযায়ী, ওই বাঙ্কারে সব শীর্ষস্থানীয় মন্ত্রী, সেনেটর, আমলাদের থাকার কথা। সূত্রের খবর, বিক্ষোভের উত্তরোত্তর বৃদ্ধি দেখে নিজের সুরক্ষা সম্পর্কে নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প।

জর্জ ফ্লয়েড নামে ৪৬ বছরের এক কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের হত্যা ঘিরে বিক্ষোভে উত্তাল আমেরিকা। ২৫ মে থেকে বিক্ষোভ চলছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশে। আমেরিকার মিনাপোলিস শহরে পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত রিপোর্টে জানা গিয়েছে যে হোয়াইট হাউসের বাইরে বিক্ষোভের সময় ট্রাম্পকে আন্ডারগ্রাউন্ড বাংকারে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।এক ঘণ্টার কম সময় ট্রাম্প বাংকারে আত্মগোপন করে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত রিপোর্টে জানা গিয়েছে যে হোয়াইট হাউসের বাইরে বিক্ষোভের সময় ট্রাম্পকে আন্ডারগ্রাউন্ড বাংকারে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এক ঘণ্টার কম সময় ট্রাম্প বাংকারে আত্মগোপন করে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ঘিরে ছিলেন সিক্রেট সার্ভিস এবং ইউনাইটেড স্টেটস পার্ক পুলিশ অফিসাররা। তবে ট্রাম্পের সঙ্গে মেলানিয়া ট্রাম্প ও ব্যারন ট্রাম্পকেও বাংকারে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

শুক্রবার রাতে হোয়াইট হাউসের বাইরে বিক্ষোভের তীব্রতা দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিজস্ব সুরক্ষা বাহিনী। রবিবার ওয়াশিংটন ডিসি-সহ আমেরিকার ৪০টি শহরে কারফিউ জারি হয়। ১৫টি স্টেটে কাজে নামানো হয় ন্যাশনাল গার্ড মেম্বারদের। আজ স্থানীয় সময় সোমবার সকালেও হোয়াইট হাউসের সামনে প্লাস্টিকের ব্যারিয়ারে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। হোয়াইট হাউসের উত্তর দিকে অবস্থিত কিছু শৌচাগার এবং একটি যন্ত্রপাতির ঘরে আগুন ধরে যায়।

করোনাতে জেরবার আমেরিকা ১৮ লাখ অতিক্রান্ত, মৃত একলাখের অধিক। এই অবস্থাতে শুরু হয়েছে জন-বিক্ষোভ। আমেরিকাতে কৃষ্ণাঙ্গ হত্যা প্রায় হয়ে থাকে, গড়ে প্রতিবছর একশোর কৃষ্ণাঙ্গদের হত্যা করে পুলিশ। কৃষ্ণ নেতা মাতিন লুথারের লড়াই এখন বাস্তবে রূপায়িত হয়নি, কাগজ কলমেই থেকে গেছে!