বিধায়ক মৃত্যুর প্রতিবাদী বনধে বিজেপির নেতাকর্মীরা থানাতে ফুর্তি করে খাসির মাংস ভাত খেলেন

নিউজ ডেস্ক : নেতারা মৃত্যুর প্রতিবাদ করতে গিয়ে জামাই আদরে ভূরিভোজ। খাসির মাংসের সঙ্গে গরম ভাত, মধ্যাহ্নভোজের এটাই ছিল মেনু। ভেনু জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানা। আন্দোলন করতে গিয়ে গ্রেফতার হওয়া বিজেপির  নেতাকর্মীদের এটাই ছিল খাবারের মেনু। করেছিলেন আবদার।

গতকাল ১৪ জুলাই সোমবার সকালে বাড়ি থেকে খানিকটা দূরে একটি মোবাইল ফোনের দোকানের সামনে উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাধের বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁকে খুন করা হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গে বনধের ডাক দেয় বিজেপি। সকাল থেকেই উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বনধের সমর্থনে পথে নামেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। জলপাইগুড়ি শহর ও লাগোয়া এলাকাতেও সকাল সকাল পথে নেমে দোকানপাট খোলায় ও যান চলাচলে বাধা দেন বিজেপি কর্মীরা। স্বাভাবিক জনজীবনে বাধা সৃষ্টির অভিযোগে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন বিজেপির শতাধিক নেতা কর্মী। ধৃতদের নিয়ে আসা হয় জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায়। সেখানে পুরুষদের রেখে মহিলাদের নিয়ে যাওয়া হয় জলপাইগুড়ি মহিলা থানায়।

দুপুর গড়াতে খিদে মধ্যাহ্ন ভোজনের কথা হয়, খাসির মাংশ আর ভাতের অর্ডার করেন বিজেপির নেতা ও সমর্থকরা। পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁদের মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করতে নেমে পড়েন পুলিশ কর্মীরা। ফয়েল প্যাক করে আনা হয় তাঁদের পছন্দের মেনু খাসির মাংস আর ভাত। পরম তৃপ্তিতে পেটপুরে মাংস-ভাত খেয়ে খুবই খুশিতে খায় বিজেপির নেতা কর্মীরা। ভিডিওতে দেখা যায় হাসি হাসি মুখে আনন্দ উল্লাহ করে মাংস ভাত খেয়ে যাচ্ছেন তারা।

নেতারা মৃত্যু বিচারের প্রতিবাদ করতে গিয়ে উৎসব বাড়ির মতো খাওয়া-দাওয়া করা ইতিহাসে হয়তো প্রথম। প্রতিবাদ কর্মসূচি ও বনধ পালন কি সুধু দলের স্বার্থে করা ? মৃত্য ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধা নয় !