করোনা মহামারিতে রাম মন্দিরের ভূমি-পূজার সমালোচনা করে, নিন্দা ও কুৎসাতে ভুল শিকার দেবের!

নিউজ ডেস্ক : রাম মন্দিরের ভূমি পূজার সমালোচনা করে, তিনদিন পর ঘুরে গেলেন।  দিন দুয়েক আগেই নিজস্ব সংসদীয় এলাকা ঘাটালে বৈঠক করার পর সাংবাদিকদের রাম মন্দির নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে দেব বলেছিলেন, “এই সময়ের প্রেক্ষিতে ভ্যাকসিন না মন্দির কোনটা আগে জরুরী একটা বাচ্চাও বলে দিতে পারবে!” দেব কোনওদিনই রাজনৈতিক ময়দানে ব্যক্তিগত আক্রমণের পথ বেছে নেননি। এই ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয়নি, রাম মন্দির প্রসঙ্গে সেই ‘ডিপ্লোম্যাটিক’ উত্তরও নেটজনতার একাংশের না-পসন্দ! যে কারণে দেবকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি তাঁরা। সেসব যাবতীয় বিতর্কের উপর জল ঢেলেই এক ফেসবুক আড্ডায় সাংসদ দেবের সাফ স্বীকারোক্তি, “যেদিন রাম মন্দির হবে সেদিন সপরিবারে পুজো দিতে যাব।”

না, কোনও রকম রাজনৈতিক রং-দল বেছে সেই ভাবনা থেকে এমন মন্তব্য করেননি দেব। বরং নিন্দুকদের কাছে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, প্রত্যেকটি দেশে যদি তাঁদের নিজ নিজ উপাসনা দেবতার বড় বড় মন্দির হতে পারে, তাহলে ভারতেই বা রাম মন্দির গড়ে উঠবে না কেন! শুধু তিনি কেন সারা বিশ্বের হিন্দুরা যে এই মন্দির নিয়ে গর্ববোধ করবে, সেকথাও তিনি উল্লেখ করেছেন। স্পষ্ট বলে দিয়েছেন যে রাম মন্দির নিয়ে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। আপত্তিটা অন্য জায়গায়। কীরকম? অতিমারির জেরে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেই মন্দির নির্মাণকে উপলক্ষ করে মানুষেরা একত্রিত হচ্ছেন, তাও আবার মাস্ক ছাড়াই, সেটাই সাংসদের কাছে ভয়ের কারণ হয়ে ঠেকেছে। কারণ, দিন দিন ক্রমাগত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এবং মৃতের সংখ্যা যেভাবে বেড়ে চলেছে দেশে, তাতে উদ্বিগ্ন দেবও। অতঃপর রাম মন্দির নিয়ে ট্রোলারদের যত সমালোচনা-নিন্দা, সবকিছুর উপর যে এই মন্তব্যের মাধ্যমেই তিনি জল ঢাললেন, তা বলাই যায়।

দেশের ভালো মন্দ নিয়ে মতামত দেওয়া দিন শেষ বলা যায়।