দিল্লি দাঙ্গাতে প্রসাশন ও পুলিশ হাত গুটিয়ে বসে থেকে মুসলিম নিধনে সাহায্য করেছেন – সংখ্যালঘু কমিশন

নিউজ ডেস্ক : দিল্লি দাঙ্গাতে প্রসাশন মুসলিমদের নিধনে পরোক্ষ সাপোর্ট করেছেন বলা যায়। মুসলিম হত্যাতে প্রসাশন ও পুলিশ নীরব ছিল। দিল্লি হিংসায় মুসলিমদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ পুলিশ। প্রায় পাঁচ মাস পর রিপোর্ট দিয়ে জানাল দিল্লি সংখ্যালঘু কমিশন। কেন্দ্রের নির্দেশেই রিপোর্ট তৈরি করেছে তারা। জানাচ্ছে, বেছে বেছে মুসলিমদের ঘর–বাড়ি জ্বালানো হয়েছে ‘‌দাঙ্গা’য়। অন্তত ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে টানা তিন–চার দিনের হিংসায়। অধিকাংশই মুসলিম। আক্রান্ত কমপক্ষে ২০০ জন, রিপোর্টে বলছে ওই সংখ্যালঘু কমিশন।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছিল গোটা দেশ। ক্যা–বিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুই ছিল রাজধানীর শাহিনবাগ। পুলিশ–বিজেপি অস্বীকার করলেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের নিশানা করে কপিল মিশ্রের ‘‌বিষাক্ত’ ভাষণের পরই হিংসার সূত্রপাত হয় রাজধানীতে। একেবারে ছক কষে মুসলিমদের ঘরবাড়ি, দোকান চিহ্নিত করে ভাঙচুর চালানো হয়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ‘‌দাঙ্গা’য় ১১টি মসজিদ, ৫টি মাদ্রাসা, কবরখানা তছনছ করা হয়েছে। ক্যা–বিরোধী আন্দোলন বন্ধ করতেই পুলিশের সাহায্য নিয়ে হামলা চালিয়েছে ক্যা–সমর্থকেরা। ঘরবাড়ি মুসলিমদের জ্বললেও তাঁদের বিরুদ্ধেই মামলায় দায়ের করেছে পুলিশ, রিপোর্টে স্পষ্ট বক্তব্য কমিশনের। ‘‌দাঙ্গা’‌র সময়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে দেখেছে, ‘‌দাঙ্গাবাজ’দের রোখেনি পুলিশ।‌ প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান তুলে দাবি রিপোর্টে।

কিছু দিন আগেই দিল্লি দাঙ্গা সম্পর্কে চার্জশীটে উলেখ্য করেছিল, “হিন্দুত্ববাদী সংগঠনরা বেচে বেছে মুসলিমদের হত্যা করেছিল।” দিল্লি দাঙ্গা ছিল গুজরাট দাঙ্গার তোমাই মুসলিম নিধন, তা প্রমানিত হচ্ছে। দাঙ্গাতে পুলিশ প্রশাসন নীরব থেকে মুসলিম হত্যাতে উৎসাহ দিয়ে গেছেন।