দেশে আর্থিক মন্দা চলছে লাগাতার, মোদী সরকার বন্ধ করছেন ৬০০-টি সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক !

নিউজ ডেস্ক : আর্থিক স্থিতি বেহাল। বন্ধ হওয়ার পথে সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার ( Central Bank of India) ১৩ শতাংশ ব্রাঞ্চ( ৬০০ti)। দীর্ঘদিন ধরে ওই ব্যাঙ্কের আর্থিক স্থিতিতে সমস্যা চলছে। আর্থিক হাল ফেরাতে তাই একরকম বাধ্য হয়েই ওই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে অর্থ মন্ত্রক।

সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ( Central Bank of India) বা CBI একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক। সেই ব্যাঙ্ক নিজেদের ব্রাঞ্চ বন্ধের রাস্তায় হাঁটার খবরে স্বাভাবিকভাবেই মাথায় হাত সাধারণ গ্রাহক থেকে শুরু করে আর্থিক বিশেষজ্ঞদের। ১৩ শতাংশ সংখ্যাটা খুব ছোট নয়। এতগুলো ব্রাঞ্চ বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, গ্রাহকদের অসুবিধা যে বাড়বে তা বুঝতে অসুবিধা হয় না। একেই দেশের ব্যাঙ্কিং পরিষেবা এখনও দেশের সর্বোস্তরে পৌঁছাতে পারেনি। তার উপর ১৩ শতাংশ ব্যাঙ্ক বন্ধ হওয়ায় গ্রাহকদের ক্ষতি হবে। কিন্তু, ব্যাঙ্কে কর্মরত কর্মচারীদের কী হবে? উঠছে প্রশ্ন।

 

নিজেদের যে সমস্ত ব্রাঞ্চ খুব লাভজনক ছিল না, সেগুলিকে বন্ধের রাস্তায় হাঁটবে সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। যা স্বাভাবিকভাবেই সরকারি ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার দুরবস্থার দিকে আঙুল তোলে। আরও একটি সরকারি ব্যাঙ্কের একাধিক ব্রাঞ্চ বন্ধ হয়ে যাওয়া, পরোক্ষ এবং প্রত্যক্ষভাবেও সরকারের ক্ষতি বই লাভের দিকে ইঙ্গিত করে না। এর আগেও আমরা দেখেছি পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের পরিস্থিতি। তারপর সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার আর্থিক দিকে চোখ রাখলে বোঝা যায়– কিছুই আদপে বদলায়নি।

 

ভারতবর্ষের ব্যাঙ্কিং ইতিহাসের ক্ষেত্রে সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার বয়স বেশ প্রাচীন। শতবর্ষ পার করেছে এই ব্যাঙ্কিং সংস্থা। মোট ব্রাঞ্চের সংখ্যা ৪৫০০, এরও বেশি। এর মধ্যে ১৩ শতাংশ ব্রাঞ্চ বন্ধের রাস্তায় হাঁটতে চলেছে। মোট ৬০০-টি ব্রাঞ্চ বন্ধ করতে অথবা মার্জ করার রাস্তায় নিয়ে যেতে চলেছে ওই সংস্থা। ২০২৩ সালের মধ্যেই সম্পন্ন হবে ওই মার্জ অথবা বন্ধ হওয়ার কাজ। এছাড়া, নিজেদের নন কোর অ্যাসেট বিক্রির পথেও হাঁটবে ওই ব্যাঙ্ক।

তবে সরকারি ব্যাঙ্কের এই পরিস্থিতি কিন্তু বেশ ভাবাচ্ছে দেশের আমজনতা থেকে আর্থিক বিশেষজ্ঞ সবাইকেই। ঠিক কী করলে এই পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে সরকারি ব্যাঙ্ক, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন অনেকেই।আর্থিক স্থিতি বেহাল। বন্ধ হওয়ার পথে সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার ( Central Bank of India) ১৩ শতাংশ ব্রাঞ্চ( ৬০০ti)। দীর্ঘদিন ধরে ওই ব্যাঙ্কের আর্থিক স্থিতিতে সমস্যা চলছে। আর্থিক হাল ফেরাতে তাই একরকম বাধ্য হয়েই ওই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে অর্থ মন্ত্রক।

সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ( Central Bank of India) বা CBI একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক। সেই ব্যাঙ্ক নিজেদের ব্রাঞ্চ বন্ধের রাস্তায় হাঁটার খবরে স্বাভাবিকভাবেই মাথায় হাত সাধারণ গ্রাহক থেকে শুরু করে আর্থিক বিশেষজ্ঞদের। ১৩ শতাংশ সংখ্যাটা খুব ছোট নয়। এতগুলো ব্রাঞ্চ বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, গ্রাহকদের অসুবিধা যে বাড়বে তা বুঝতে অসুবিধা হয় না। একেই দেশের ব্যাঙ্কিং পরিষেবা এখনও দেশের সর্বোস্তরে পৌঁছাতে পারেনি। তার উপর ১৩ শতাংশ ব্যাঙ্ক বন্ধ হওয়ায় গ্রাহকদের ক্ষতি হবে। কিন্তু, ব্যাঙ্কে কর্মরত কর্মচারীদের কী হবে? উঠছে প্রশ্ন।

নিজেদের যে সমস্ত ব্রাঞ্চ খুব লাভজনক ছিল না, সেগুলিকে বন্ধের রাস্তায় হাঁটবে সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। যা স্বাভাবিকভাবেই সরকারি ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার দুরবস্থার দিকে আঙুল তোলে। আরও একটি সরকারি ব্যাঙ্কের একাধিক ব্রাঞ্চ বন্ধ হয়ে যাওয়া, পরোক্ষ এবং প্রত্যক্ষভাবেও সরকারের ক্ষতি বই লাভের দিকে ইঙ্গিত করে না। এর আগেও আমরা দেখেছি পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের পরিস্থিতি। তারপর সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার আর্থিক দিকে চোখ রাখলে বোঝা যায়– কিছুই আদপে বদলায়নি।

ভারতবর্ষের ব্যাঙ্কিং ইতিহাসের ক্ষেত্রে সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার বয়স বেশ প্রাচীন। শতবর্ষ পার করেছে এই ব্যাঙ্কিং সংস্থা। মোট ব্রাঞ্চের সংখ্যা ৪৫০০, এরও বেশি। এর মধ্যে ১৩ শতাংশ ব্রাঞ্চ বন্ধের রাস্তায় হাঁটতে চলেছে। মোট ৬০০-টি ব্রাঞ্চ বন্ধ করতে অথবা মার্জ করার রাস্তায় নিয়ে যেতে চলেছে ওই সংস্থা। ২০২৩ সালের মধ্যেই সম্পন্ন হবে ওই মার্জ অথবা বন্ধ হওয়ার কাজ। এছাড়া, নিজেদের নন কোর অ্যাসেট বিক্রির পথেও হাঁটবে ওই ব্যাঙ্ক।

তবে সরকারি ব্যাঙ্কের এই পরিস্থিতি কিন্তু বেশ ভাবাচ্ছে দেশের আমজনতা থেকে আর্থিক বিশেষজ্ঞ সবাইকেই। ঠিক কী করলে এই পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে সরকারি ব্যাঙ্ক, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন অনেকেই।