কোচবিহারে বিজেপিকে ভোট না দেওয়াতে, চার জন মুসলিমকে গুলি করে হত্যা কেন্দ্রীয় বাহিনীর

নিউজ ডেস্ক : চতুর্থ দফা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সন্ত্রাস। ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চার জনের মৃত্যু। কোচবিহার জেলার শীতলকুচি বিধানসভা (৫ নম্বর) মাথাভাঙার জোরপাকাটিতে এই নারকীয় ঘটনাটি ঘটে ( সকাল এগারোটা) । গোটা এলাকা স্তব্ধ, স্তম্ভিত গোটা মাথাভাঙা। কমিশন কার্যত স্বীকারও করেও নিয়েছে গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীই। এই নিয়ে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করছে নির্বাচন কমিশন। মৃতদের নাম হামিদুল হক, হামিউল হক, নুর আলম,মনিরুল হক। এছাড়াও অন্তত আট জন আহত। নিহতের সকলে ২০ থেকে ৩০ বছরে বয়েসের।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, “CRPF লাইনে দাঁড়ানো ভোটারদের বলেছে ভোট বিজেপিকে দিতে হবে, তৃণমূলকে ভোট দেওয়া যাবে না। এর পরেই কোথাকাটাটি ও বিতর্ক শুরু হয়। তার পর হটাৎ ভোটার লাইনে এলপাথারি গুলি চালিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী।” ওখানেই মারা যায় চারজন। গুরুতর আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ায় হয়েছে, এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা শচনীয়, মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে। স্থানীয়রা আরো বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী দেশি মদ খেয়ে ঘুরছে গতকাল থেকে। স্থানীয় বিজেপির নেতাদের সাথে উঠাবসা ও ঘুরাঘুরি করছে বাহিনী।

কেন্দ্রীয় গুলি চালানো নিয়ে উঠছে প্রশ্ন! ভোট চলছিল জোরপাকাটি (১২৬ নম্বর বুথ) মাদ্রাসা স্কুলে, এখানে আশি শাতাংশের বেশি ভোটার মুসলিম এবং ভোট বিজেপির বিরোধীদেরই যাবে। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপি বিরোধী ভোট দেখে ইচ্ছা করেই গুলি চালিয়েছে, এমন হওয়াটা আমূলক নয়। যেহুতু এরা মুসলিম তাই গুলি চালাতে কোন অসুবিধে মনে করেনি। বার বার কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপিকে ভোট দেওয়ার বার্তা দিয়েছে, আজকেও এখানে বলেছে। গত তিন দফাতে এক অভিযোগ দেখছি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে।

গণতন্ত্রকে রক্ষা ও ভোট দিয়ে গিয়ে মৃত্যু দায় কার ?