দুর্নীতি রুখতে শিক্ষক নিয়মে আমূল পরিবর্তন, NET ও SET ধাঁচে লিখিত পরীক্ষা, ২০ হাজার নিয়োগ

নিউজ ডেস্ক : মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ফের শিক্ষক নিয়োগ করতে চলেছে রাজ্য। আর সেই নিয়োগের জন্যই নিয়োগ নিয়মে পরিবর্তন আনছে রাজ্য। ইতিমধ্যেই নয়া নিয়ম তৈরির কাজও প্রায় শেষ করে ফেলেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, ২০২০ সালের নিয়োগের নিয়মে আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, নেট, সেটের ধাঁচেই এ বার স্কুল সার্ভিস কমিশন শিক্ষক নিয়োগ করবে। তবে শুধু নিয়োগ-প্রক্রিয়া নয়, বদল আনা হচ্ছে কাউন্সিলিংয়ের প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রেও। অর্থাৎ শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে স্কুল বাছাই কীভাবে করবেন চাকরিপ্রার্থীরা তার নিয়মেও বদল আনছে এসএসসি। স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি, অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠছে বার বার, তাই নিয়মে পরিবর্তন। সূত্রের খবর, প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি পদ তৈরি হয়েছে।

কি বদল আনা হচ্ছে?
☞কমিশন সূত্রে খবর, এ বার সব পরীক্ষা OMR শিটে নেওয়া হবে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ১০০ নম্বরের হবে। OMR শিটে নেওয়া হবে এই পরীক্ষা। এই পরীক্ষাতে উত্তীর্ণ হলেই সাবজেক্টের পরীক্ষা দিতে পারবেন চাকরিপ্রার্থীরা। সাবজেক্টের পরীক্ষাও হবে OMR শিটে। সেই পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের। পাশাপাশি ২০২০ সালের যে আইন মেনে স্কুল সার্ভিস কমিশন সাঁওতালি ভাষায় শিক্ষক নিয়োগ করেছিল, সেই আইনের বদল করে ইন্টারভিউ ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। ইন্টারভিউ হবে ১০ নম্বরের। পাশাপাশি দেখা হবে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতক স্তরের প্রাপ্ত নম্বর। তারই সঙ্গে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চাকরিপ্রার্থীদের কীভাবে ক্লাস নিতে হবে, ছাত্র-ছাত্রীদের তা ক্লাসরুমে দেখাতে হবে। তার জন্য বিশেষ নম্বর বরাদ্দ থাকবে বলেই কমিশন সূত্রে খবর।

যদিও এই বিষয় নিয়ে কমিশনের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সূত্রের খবর, ১০-১২ দিনের মধ্যেই গোটা নিয়োগ সংক্রান্ত আইন চূড়ান্ত করে কমিশন পাঠাবে স্কুল শিক্ষা দফতরের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য। অনুমোদন হলেই বিজ্ঞপ্তি আকারে তা জানাবে কমিশন। ইতিমধ্যেই কত সংখ্যক পদে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষক নিয়োগ হবে তা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে স্কুল শিক্ষা দফতর।