আশ্রমে যুবতীকে ধর্ষণ জৈন সাধুর, গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশের সাথে ভক্তদের সংঘর্ষ – রাজস্থান

নিউজ ডেস্ক :  আশ্রমে ধর্ষণ দেinশের দৈনন্দিন ঘটনা হয়ে উঠেছে। ভক্তির সুযোগে ভক্তের সর্বনাশ জৈন সাধু বাবার। যুবতী ভক্তকে শেল্টার হোমে ধর্ষণের অভিযোগ এক পদব্রাজক জৈন মুনিক বিরুদ্ধে। রাজস্থানে কারাউলি জেলার ওই শেল্টার হোম থেকে ওই মুনিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই যুবতী এক আত্মীয়ের সঙ্গে মুনিত আশীর্বাদ নিতে গিয়েছিলেন রাজস্থানে। স্থানীয় পুলিশ ওই মুনিকে গ্রেফতারের পর থেকেই তুলকালাম পড়ে গিয়েছে এলাকায়। ওই মুনি যে এমন নোংরা কাজ করতে পারেন তা বিশ্বাসই করতে পারছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা। সুপ্রিমকোর্টে নির্দেশ অনুসারে ধর্ষিতার নাম পরিচয় বর্ণনা করা হয়নি।

অভিযুক্ত মুনির নাম আচার্য সুকমলনন্দী। কারাউলির হিন্দোনে একটি শেল্টার হোমে ওই মুনি থাকতেন। পুলিশ সূত্রে খবর, গত বৃহস্পতিবার ওই শেল্টার হোমে হাজির হন যুবতী ও তাঁর এক আত্মীয়। এতদিন লকডাউনের জেরে মুনির আশীর্বাদ নেওয়া হয়নি, তাই আনলক হতেই মুনির সান্নিধ্যে যান যুবতী ও তাঁর এক আত্মীয়। যুবতীর ননদ প্রথমে ঘরে ঢোকেন। তাঁর সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করেন ওই মুনি। তার পর ঘরে যান যুবতী। কিন্তু তাঁর সঙ্গে অশ্লীলতা শুরু করেন ওই মুনি। সেখানেই তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
supr
যুবতী তাঁর পরিবারের লোকেদের নিয়ে মুনির সঙ্গে কথা বলতে গেলে ঘরে নিজেকে আটকে রাখেন অভিযুক্ত। এর পরই পুলিশের দ্বারস্থ হয় পরিবার। প্রাথমিক তদন্তের পরই শুক্রবার রাতে মুনিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কারাউলির এসপি অনিল শর্মা বলেছেন, ‘ওই মুনি এখানে আসার আগে বিভিন্ন আশ্রমে থেকেছেন। বহু মানুষ তাঁর কাছে দূর থেকে দেখা করতে আসেন। তবে তাঁর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের পরই আমরা তাঁকে গ্রেফতার করেছি। মুনির বিরুদ্ধে ৩৫৪ ও ৩৭৬ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।’

ঘটনার অভিযোগ সামনে আসার পরই মুনির কয়েকজন সাগরেদ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে পুলিশ কোনও কথায় কান না দিয়ে মুনিকে গ্রেফতার করেছে। মুনিকে স্টেশনে নিয়ে যাওয়ার পর ভক্তরা বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। কিন্তু করোনার কথা মাথায় রেখে সামাজিক দূরত্ববিধি রাখতে পুলিশ ছত্রভঙ্গ করে। সেখান থেকে চলে যায় বিক্ষোভকারীরা। ধর্মের আড়ালে নারীদের ধর্ষণ দিনদিন বেড়েই চলেছে।