বিদ্রোহ ঘোষনা ও মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দাবিতে অনড় থাকাতে কংগ্রেস পাটি থেকে বহিস্কার হলেন সচিন পাইলট

নিউজ ডেস্ক : লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু ঘটলো সচিন পাইলটের বলা যায়! রাজস্থানে চলতি রাজনৈতিক সঙ্কটে বড় পদক্ষেপ নিল কংগ্রেস। লাগাতার দলবিরোধী কাজের জেরে শচীন পাইলটকে রাজস্থানের উপমুখ্যমন্ত্রী এবং রাজস্থান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দিল কংগ্রেস। পাইলটের পাশাপাশি তাঁর অনুগামী ৩ মন্ত্রীকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব।

কংগ্রেস সূত্রের দাবি, লাগাতার পাইলটকে বুঝিয়ে দলে ফেরানোর চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনও প্রস্তাবে সাড়া দেননি। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীদের মতো নেতাদের কথাতেও আমল দেননি তিনি। এমনকি সোনিয়া গান্ধীও যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন। বারংবার অনুরোধ সত্ত্বেও দলের উচ্চ-পর্যায়ের পরিষদীয় বৈঠকে হাজির না হওয়ার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কংগ্রেস। দল তাঁর সমস্ত দাবি মেনে নেওয়ার প্রস্তাব দিলে, পাইলট মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে গেহলটের অপসারণ দাবি করেছিলেন। যা মেনে নেওয়া কংগ্রেসের পক্ষে সম্ভব নয়। এদিকে, লাগাতার প্রকাশ্যে দলের এই গোষ্ঠী কোন্দলের জন্য সর্বভারতীয় স্তরে ভুল বার্তা যাচ্ছিল। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে পাইলটের কংগ্রেস ছাড়ার রাস্তা পাকা হয়ে গেল। তাৎপর্যপূর্ণভাবে আজ সকালেই বিজেপি নেতা ওম মাথুর তরুণ নেতাকে বিজেপিতে স্বাগত জানিয়েছেন। যদিও তিনি নিজে এখনও বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা অস্বীকার করে আসছেন। আবার কংগ্রেস ছেড়ে অন্য কোনও দল তৈরির কোনও ইঙ্গিতও দেননি।

কংগ্রেস সূত্রের দাবি, লাগাতার পাইলটকে বুঝিয়ে দলে ফেরানোর চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনও প্রস্তাবে সাড়া দেননি। সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীদের মতো নেতাদের কথাতেও আমল দেননি তিনি। দল তাঁর সমস্ত দাবি মেনে নেওয়ার প্রস্তাব দিলে, পাইলট মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে গেহলটের অপসারণ দাবি করেছিলেন। যা মেনে নেওয়া কংগ্রেসের পক্ষে সম্ভব নয়। এদিকে, লাগাতার প্রকাশ্যে দলের এই গোষ্ঠী কোন্দলের জন্য সর্বভারতীয় স্তরে ভুল বার্তা যাচ্ছিল। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে পাইলটের কংগ্রেস ছাড়ার রাস্তা পাকা হয়ে গেল। তাৎপর্যপূর্ণভাবে আজ সকালেই বিজেপি নেতা ওম মাথুর তরুণ নেতাকে বিজেপিতে স্বাগত জানিয়েছেন। যদিও তিনি নিজে এখনও বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা অস্বীকার করে আসছেন। আবার কংগ্রেস ছেড়ে অন্য কোনও দল তৈরির কোনও ইঙ্গিতও দেননি।

কংগ্রেসে এই সিধান্ত বা পদক্ষেপ দলে মজবুত করবে।