“যে কোন EVM বোতাম টিপলে ভোট বিজেপিতে”, ভোট শুরুর এক ঘন্টাতে ৯০টি EVM বদল

নিউজ ডেস্ক : আজ রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা রাজ্যকে। জেলাজুড়ে চোখে পড়ছে তৎপরতা। প্রথম দফায় রাজ্যের পাঁচটি জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ও পূর্ব মেদিনীপুরে নির্বাচন। অতীতে এই কেন্দ্রগুলিতে বারবার অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। সেক্ষেত্রে এই পাঁচ জেলায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করাই এখন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। কাঁথির কয়েকটি বুথে EVM গন্ডগোলের খবর। ভোট যাতেই দেওয়া হলে পড়ছে বিজেপিতে!

নিয়ম মেনে বাকি বুথের মতোই শনিবার সকালে কাঁথি দক্ষিণের মাজনা হাইমাদ্রসায় শুরু হয় ভোটগ্রহণ। কিছুক্ষণ পর থেকেই স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, তাঁরা তৃণমূলের প্রতীকে ভোট দিলেও, তা গিয়ে পড়ছে বিজেপিতে। সাড়ে নটা নাগাদ এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ওই হাইমাদ্রসা চত্বর। ভোট বন্ধ করে দেন স্থানীয়রা। ইভিএম পরিবর্তনের দাবি জানান তাঁরা। পুলিশ-কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিস্থিতি আয়ত্তে আনার চেষ্টা করলেও কোনও লাভ হয়নি। নিজেদের অবস্থানে অনড় স্থানীয়রা। ফলে প্রায় দেড় ঘণ্টা ওই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকে। পরে অবশ্য শুরু হয় ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। কিন্তু ভোট যখন বন্ধ ছিল, তখন  বাইরে উত্তেজিত জনতার ভিড়। নতুন EVM আসার অপেক্ষায় ছিলেন তাঁরা। এক স্থানীয় বাসিন্দার কথায়, “আমি বিজেপিকে ভোট দিইনি। তৃণমূলে ভোট দেওয়ার পরেও দেখছি ভোট পড়েছে বিজেপিতেই। প্রত্যেকেই এটা দেখেছে। EVM পালটানো পর্যন্ত আমরা ভোট দেব না।”

কাঁথির তেগুলিয়া এবং পশ্চিম ময়নাতেও এক অভিযোগ। পটাশপুরের একটি বুঝতেও এমন খবর পাওয়া গিয়েছে। এক ঘন্টা ভোট গ্রহণের ৯০টি EVM পরিবর্তন করা করতে হয়েছে কমিশনকে।

“বোতাম টিপলে ভোটবিজেপিতে যাচ্ছে, নির্বাচন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন”। কমিশন বলছেন কোন সময় এমন হতে পারে না। তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করছেন কমিশন বিজেপি হয়ে কাজ করছেন।